বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদের নামাজের আগে ফিতরা না দিলে কি আদায় হবে?

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

ফিতরা বা সদকাতুল ফিতর আদায় করার উত্তম ও সুন্নাহ সময় হলো ঈদের নামাজের আগে। রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যেন মুসলমানরা ঈদের নামাজে যাওয়ার আগেই ফিতরা আদায় করে, যাতে গরিব মানুষ ঈদের দিনে প্রয়োজন মেটাতে পারে।

যদি কেউ ঈদের নামাজের আগে ফিতরা আদায় না করে এবং পরে দেয়, তাহলে তার ফিতরা আদায় হয়ে যাবে, তবে তা আর পূর্ণ ফিতরার মর্যাদা পাবে না। হাদিসে এসেছে,

আরও পড়ুনঃ জাকাতের টাকা দিয়ে কি মসজিদ বা মাদ্রাসা নির্মাণ করা যাবে?

যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের আগে ফিতরা দেয়, তা কবুলযোগ্য ফিতরা হিসেবে গণ্য হয়। আর যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পরে দেয়, তা সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হয়।

অর্থাৎ, ঈদের নামাজের পরে ফিতরা দিলে ফরজ আদায়ের দায়িত্ব থেকে মুক্ত হবে, কিন্তু সময়মতো আদায় না করার কারণে ফিতরার পূর্ণ সওয়াব পাবে না। এতে গুনাহও হতে পারে, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করা হয়।

তবে যদি কেউ ভুলে যায়, অসুস্থ থাকে, বা প্রকৃত কোনো ওজরের কারণে ঈদের নামাজের আগে ফিতরা দিতে না পারে, তাহলে তার জন্য পরে দেওয়া জায়েজ হবে

আরও পড়ুনঃ ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ওপর কি জাকাত ফরজ?

এবং দ্রুত আদায় করা জরুরি হবে। দেরি করা অবস্থায় বসে থাকা ঠিক নয়।

ফিতরার মূল উদ্দেশ্য হলো-

রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে আত্মশুদ্ধি,

দরিদ্র মানুষকে ঈদের আনন্দে শরিক করা

এই উদ্দেশ্য তখনই পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়, যখন ঈদের আগেই ফিতরা পৌঁছে যায় গরিব মানুষের হাতে।

আরও পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় পেটের বাচ্চার ফিতরা দেওয়া কি জরুরি?

ঈদের নামাজের আগে ফিতরা না দিলে তা আদায় হবে, কিন্তু তা ফিতরা হিসেবে পূর্ণ মর্যাদা পাবে না; সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হবে।

তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ঈদের নামাজের আগেই ফিতরা আদায় করা, যাতে শরিয়তের হুকুমও পালন হয় এবং দরিদ্র মানুষ উপকৃত হয়

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X