

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা একটি গাড়ি নিয়ে পাঁচজন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব যে, এটি আমার কামাই।’
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় তাদেরকে আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় তিনি এ ঘোষণা দেন।
পুলিশি বাধার একপর্যায়ে এনসিপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় বসে পড়েন। তখন রাস্তার দুপাশে বিপুল পরিমাণ যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এনসিপির নেতাকর্মীদের হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাদেরকে মূলত আটকানো হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হন। তারা প্রথম দফায় শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার পর তারা সেখান থেকে অতিক্রম করেন।
এরপর হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় আবারও আটকে দেওয়া হয় এনসিপি নেতাদের। তখন ফের তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডা হয়।