

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা এবং ২৯ জুলাই মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে পুলিশ কর্তৃক বাধাদান ও হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
বুধবার (২৯ জুলাই) ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ এ প্রতিবাদ জানাই।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ’জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃবৃন্দের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ওই হামলার প্রতিবাদে ২৯ জুলাই বুধবার হবিগঞ্জে এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ১৪৪ ধারা জারি করে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক জনাব নাহিদ ইসলাম এমপিসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পুলিশ কর্তৃক আটকে দেয়া গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল। আমরা এই ধরণের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে জনগণ, রাজনৈতিক দল বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কারো ওপর হামলার স্থান গণতন্ত্রে নেই। কারো বক্তব্য যদি আক্রামনাত্মক হয়, তবে এর জবাব রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। কিন্তু কথার জবাব সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেওয়া পূর্বের ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের উপর সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছে। হবিগঞ্জে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আইন হাতে তুলে নিয়ে এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালিয়েছে, অবিলম্বে সেসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর সরকার বিরোধীদলের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করে নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করেছে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ভবিষ্যতে বিরোধী দলের যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত না করার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নতুন প্রত্যাশার বাংলাদেশে অতীতের মতো দলদাস না হয়ে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।