

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মোংলা বন্দরে বসুন্ধরা রেডিমিক্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের আমদানি করা স্ল্যাগের চালানে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১ হাজার ১৭৪ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন বেশি পণ্য পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত এই পণ্যের বিপরীতে প্রায় ৩৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭১ টাকা রাজস্ব ফাঁকির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানিয়েছে।
এনবিআর জানায়, বসুন্ধরা রেডিমিক্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের স্ল্যাগবাহী ‘এমভি আনাসা’ জাহাজটি গত ১ সেপ্টেম্বর মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া-৭ এলাকায় আসে। জাহাজটির বিল অব লেডিংয়ে ২৪ হাজার মেট্রিক টন স্ল্যাগ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে জাহাজে থাকা পণ্যের পরিমাণ নিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সন্দেহ দেখা দেয়। পরে শিপিং এজেন্ট এবং সার্ভে ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তারা জাহাজে থাকা কার্গোর পরিমাণ যাচাই করেন। প্রাথমিক লাইট লোড সার্ভেতে জাহাজটিতে প্রায় ২৫ হাজার ৪৬৪ দশমিক ৬৮২ মেট্রিক টন স্ল্যাগ থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জরিপের ফলাফলে ঘোষিত পরিমাণের সঙ্গে বাস্তবে থাকা পণ্যের বড় পার্থক্য ধরা পড়ায় বিষয়টি নিয়ে আমদানিকারক ও জাহাজসংশ্লিষ্টরা আপত্তি জানান। এরপর কাস্টমসের উদ্যোগে পুনরায় যৌথ সার্ভে করা হয়।
দ্বিতীয় দফায় লাইট ড্রাফট সার্ভে শেষে জাহাজটিতে মোট ২৫ হাজার ১৭৪ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন স্ল্যাগ থাকার বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হয়। অর্থাৎ জাহাজটির বিল অব লেডিংয়ে ঘোষিত ২৪ হাজার মেট্রিক টনের তুলনায় ১ হাজার ১৭৪ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন বেশি পণ্য পাওয়া গেছে।
কাস্টমসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, অতিরিক্ত ওই পণ্যের বিপরীতে সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ প্রায় ৩৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭১ টাকা।
এনবিআর বলছে, কাস্টমস কর্মকর্তাদের তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ, সতর্কতা এবং পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ যাচাইয়ের সক্ষমতার কারণেই ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবে থাকা কার্গোর এই পার্থক্য শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
ঘোষিত পণ্যের পরিমাণের সঙ্গে প্রকৃত কার্গোর পরিমাণের এমন পার্থক্য আমদানি পর্যায়ে কাস্টমসের নজরদারি ও পণ্য যাচাইয়ের গুরুত্বও সামনে এনেছে। পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি রোধে কাস্টমসের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।


