

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিতে 'কোটা সংস্কার' এর একটি দাবিকে ঘিরে ২০২৪ সালে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল বাংলাদেশে, সেটি দুই মাস পর দেশটির জন্য নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করে; ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি সরকারের পতন হয় এবং রাজনীতির নানা হিসাব-নিকাশ পাল্টে যায়।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধার ভিত্তিতে এবং ৭ শতাংশ সংরক্ষিত কোটায়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আপিল বিভাগের রায় এবং একই বছরের ২৩ জুলাই জারি হওয়া সরকারি গেজেট অনুযায়ী এখন এই ব্যবস্থাই কার্যকর রয়েছে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে কোটার হার
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী—
এভাবে মোট ৭ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে।
আগে কত শতাংশ কোটা ছিল?
২০১৮ সালে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। এর মধ্যে ছিল—
কীভাবে পরিবর্তন আসে?
২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্টের এক রায়ে পুরোনো ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল হলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে ২১ জুলাই আপিল বিভাগ সেই রায় বাতিল করে নতুন কোটা কাঠামো নির্ধারণ করেন।
আপিল বিভাগ ৫৬ শতাংশের পরিবর্তে ৭ শতাংশ কোটা রেখে বাকি ৯৩ শতাংশ পদ মেধার ভিত্তিতে পূরণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা সুবিধা বাতিল করা হয়।
রায়ে আরও বলা হয়, কোনো কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সেই পদ সাধারণ মেধা তালিকা থেকে পূরণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সরকার আদালতের নির্ধারিত কোটা বাতিল, সংশোধন বা সংস্কার করতে পারবে।
বর্তমানে কী কার্যকর?
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা এবং ৭ শতাংশ কোটায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাইয়ের গেজেট অনুযায়ী সব গ্রেডের সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে বর্তমানে অন্য কোনো কোটা কার্যকর নেই। সূত্র: বিবিসি