রবিবার
০২ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০২ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গবেষণার সাফল্য প্রকাশনায় নয় মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই সৃষ্টি হয় যখন তার ফলাফল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেছেন, গবেষণাকে কেবল প্রকাশনা বা একাডেমিক অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘লাগসই প্রযুক্তির মানোন্নয়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, গবেষণার ফলাফলকে পরীক্ষাগার থেকে বের করে শিল্পখাতে পৌঁছে দিতে হবে। গবেষণালব্ধ উদ্ভাবনগুলো প্রোটোটাইপ বা নমুনা আকারে শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা গেলে তারা পাইলটিংয়ের মাধ্যমে সেগুলোকে সেবা বা পণ্যে রূপান্তর করে বাজারজাত করতে পারবে। এর ফলে গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং সমাজে বাস্তব প্রভাব সৃষ্টি হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের জীবনে কোনো কার্যকর পরিবর্তন আনতে পারে না- এমন প্রভাবহীন গবেষণা ও উদ্ভাবনের ধারা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। গবেষণার লক্ষ্য হওয়া উচিত জাতীয় প্রয়োজন পূরণ এবং মানুষের সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান দেওয়া।

লাগসই প্রযুক্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সচিব বলেন, এটি কোনোভাবেই কম খরচের প্রযুক্তির সমার্থক নয়। বরং দেশের বাস্তবতা, চাহিদা ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তিই প্রকৃত অর্থে লাগসই প্রযুক্তি।

প্রযুক্তি এমন হওয়া উচিত যা বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি হবে; মানুষকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, একটি কার্যকর লাগসই প্রযুক্তি হতে হবে সহজলভ্য, পরিবেশবান্ধব, অর্থনৈতিকভাবে টেকসই এবং জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণযোগ্য।

একই সঙ্গে প্রযুক্তির সুফল সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে, যাতে এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

সেমিনারে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমদ এবং যুগ্মসচিব শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য দেন।

এছাড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন