

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সর্বমিত্র চাকমা।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ নাকচ করেন।
পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, “গতকাল অভিযুক্ত ছাত্রকে ছাড়িয়ে আনার অভিযোগে মুসাদ্দেক আলী ইবনে রায়হান উদ্দীন, ছাত্র শিবির সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ, ছাত্রদল ও খেলাফত মজলিস—সবাই আমার পেছনে লেগেছিল। যদিও আমি অভিযুক্ত ছাত্রকে ছাড়িয়ে আনতে যাইনি।”
তিনি দাবি করেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনার সিদ্ধান্ত বা পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। তাঁর ভাষ্য, বিষয়টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা আরও উল্লেখ করেন, শুক্রবার ছাত্র শিবিরের এক নেতার কক্ষে দুই মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় আটকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, “বোধ হয় আমি বাদে সবাই শিবিরের পেছনে লেগেছে। প্রতিহিংসাটা বোধ হয় আমারই সবচেয়ে বেশি দেখানোর কথা ছিল।”
তবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় পুরো ছাত্র শিবিরকে দায়ী করার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি তিনি দেখেন না। তাঁর মতে, ভিডিওতে আলোচিত ব্যক্তিরা ওই শিবির নেতার পরিচিত হলেও নেতা নিজে অভিযুক্ত নন। তবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় এবং বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত।
একই পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা দাবি করেন, “মোসাদ্দেক আলী ইবনে নমো নমো স্বরে শিক্ষার্থী সংসদে তথাকথিত নিরপেক্ষ প্রতিবাদী পোস্ট দিয়েছেন। পাবলিকলি মোসাদ্দেক আলী ইবনে বা রায়হান উদ্দীনের কোনো প্রতিবাদী পোস্ট দেখছি না। বোধ হয় আমাকে হাইড করে তারা প্রতিবাদ করেছেন।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, “এক্ষেত্রে সংগঠন শিবিরকে তুলোধুনো করার কিছু আমি পাইনি। শিবির নেতার পরিচিতরা ধরা খেয়েছে, সে নিজে নয়। তবে, তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। প্রতিহিংসা বশত আমার থেকে শিবিরবিরোধী কিছু আসবেও না। আর হ্যাঁ, গতকালের সব হজম করে নিলাম। আমার হয়ে শোধটা প্রকৃতিই নিয়েছে।”