সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংসদে ত্রাণমন্ত্রী

বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
সংসদে ত্রাণমন্ত্রী
expand
সংসদে ত্রাণমন্ত্রী

বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে মাঠপর্যায়ে সরাকরের নানামুখী প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সেই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিদ্যমান জাতীয় নীতিমালা আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রশ্ন করেন সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি। এর জবাবে ত্রাণমন্ত্রী জানান, ‘ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখি, টর্নেডো, বন্যা, খরা ও নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার এরইমধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং (২০২১-২০২৫) এবং ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডারস অন ডিজাস্টার’ বা এসওডি প্রণয়ন করেছে। বর্তমান সরকার এই দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিদ্যমান পরিকল্পনাগুলোকে আরও সময়োপযোগী ও হালনাগাদ করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এরই অংশ হিসেবে এসওডি সংশোধন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নতুন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষিত জনবল গঠন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।’

অন্যদিকে বজ্রপাতে প্রাণহানির বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় প্রাণহানি কমানোর বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’

তিনি আরও জানান, ‘আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বজ্রপাতের পূর্বাভাস তৈরি করে তা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি ‘ইন্টিগ্রেটেড ভয়েস রেসপন্স’ বা আইভিআর প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে লিফলেট বিতরণ, পোস্টার ও বিশেষ মহড়ার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় কৃষক ছাউনি কাম বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন এবং ব্যাপক হারে তাল গাছ রোপণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন