

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইঞ্জেকশন পুশ করে টাকা না দেয়ায় রোগীর স্বজনকে আটকে রাখা ও দুর্ব্যবহারের ঘটনায় নার্স মোরশেদা বেগমের বিরুদ্ধে জাতীয় গণমাধ্যম ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশের জেরে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৭ জুন) নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব দিল আফরোজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে সাময়িক অব্যাহতির কথা বলা হয়েছে। সাময়িক অব্যাহতির পাশাপাশি সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা, সততা, দায়িত্ববোধ ও জনসেবার পরিপস্থি কাজ করায় এবং তার এহেন কর্মকান্ডের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারী কর্মচারী আচরন বিধিমালা ১৯৭৯ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ এবং নার্সিং পেশার মান ও ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। ২০১৮ এর বিধি ৩ (খ) বিধির আলোকে উক্ত বিধিমালার বিধি ১২(১) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুকরণের স্বার্থে এবং উক্ত মামলার সুষ্ঠু নিস্বপত্তির লক্ষ্যে এই আদেশ জারীর তারিখ হতে সিনিয়র স্টাফ নার্স মুর্শিদাকে চাকরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
উল্লেখ্য, উপজেলার পৌর এলাকার বিশারাবাড়ী গ্রামের দুই শিশুকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেয়ার পর পুশিংয়ের টাকার জন্য আটকে রাখার অভিযোগ উঠে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের সিনিয়র নার্স মুর্শিদা বেগমের বিরুদ্ধে। টাকার জন্য তার ঔদ্বত্যপূর্ণ ও উত্তেজিত আচরনের ঘটনায় প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টি জেলা সিভিল সার্জনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহন করেন সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান ভূইয়া বলেন, রোগীর স্বজনদের সাথে টাকা চাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় নার্সিং অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাঁরা তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। সাময়িক বরখাস্তের পর একজন সরকারী কর্মচারী যে সকল সুবিধা পেয়ে থাকে সেও তাই পাবে। বরখাস্তকালীন সময় সে পূর্ণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেনা। কোনো কাজও করতে পারবেনা।