

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে।
এর আগে সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদের আগের শেষ কর্মদিবস। অফিস শেষ হতেই রাজধানীসহ বিভিন্ন সড়কে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা যায়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। এই সম্ভাব্য তারিখ ধরে আগেই ছুটির সূচি নির্ধারণ করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি এবং ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ, পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অতিরিক্তভাবে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করা হয়। আর ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় মোট ছুটি দাঁড়িয়েছে টানা সাত দিন।
এর আগে ঈদযাত্রায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণার দাবি ওঠে। পরে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, কার্যপ্রণালী বিধিমালা, ১৯৯৬ অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে নির্বাহী আদেশে এ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জরুরি সেবাগুলো চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।
এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত দপ্তরগুলোও স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখবে।
মন্তব্য করুন
