

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রয়োজনীয় ভাতা, নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র সংগ্রহে জটিলতা নিরসন না হলে শেষ মুহুর্তে নিজেদের মোতায়েনকৃত দেশব্যাপী সকল পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত সংস্থাগুলোর সর্ববৃহৎ কার্যকর জোট ইলেকশন অবজার্ভার সোসাইটির ( ইওএস) সভাপতি ইকবাল হোসেন হীরা এই হুশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, জোটের ভেতর ও বাইরের সব সংস্থাগুলোই তাদের দাবি নিয়ে একমত এবং নিবন্ধিত সংস্থাগুলোর নির্বাহী প্রধানরা আগামী রোববার নির্বাচন কমিশনে যাবেন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনে খরচের কোনো অভাব নাই! প্রচারণার জন্য শতশত কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বিক্ষিপ্তভাবে। অথচ খোদ কমিশনের কাছেই ৩০০ আসনে ৫৫০০০ এর অধিক পর্যবেক্ষকের তালিকা রয়েছে যারা প্রচারণার কাজটা অন্তত দ্রুততম সময়ে কার্যকরভাবে করতে সক্ষম। কমিশন জানে এইবার অধিকাংশ সংস্থাই নতুন এবং কোন অর্থ সহায়তাও নাই। কিন্তু তারা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য হোস্টিং সুবিধা দিলেও স্থানীয়দের প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে। গণমাধ্যমকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে কোনোরুপ বাধাপ্রদান করলে সেটাকে আইনত দণ্ডনীয় বলে পরিপত্র প্রকাশ করলেও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে অনুরুপ বিধান অনুপস্থিত। পাশাপাশি পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র শতভাগ অনলাইনে দেওয়া হয়েছে যা বেশ জটিল ও সময় সাপেক্ষ। এটাও অনলাইন - অফলাইন দুইভাবেই দেওয়ার কথা ছিলো কিন্তু এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি।
ইকবাল হোসেন হীরা বলেন, সর্বোপরি নির্বাচন কমিশনের সহযোগি হিসেবে কাজ করার কথা স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা কমিশনের শত্রু। ফলে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রধানগণ কঠোর অবস্থানে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
আগামী রোববার বেলা ১২টায় নির্বাচন কমিশনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি পেশ করবে সংস্থাগুলো। দাবি আদায় না হলে নিজেদের সকল পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে তারা প্রস্তুত।
মন্তব্য করুন

