

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল ১৪ বছর পর পুনরায় শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী ফ্লাইটটিকে বিদায় জানান বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট বিজি-৩৪১ করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ১১টায় পৌঁছানোর পর ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। উদ্বোধনী ফ্লাইটে ১৫০ জন যাত্রী ভ্রমণ করেন।
ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ১৪ বছরের বিরতির পর সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়া দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা–করাচি রুট চালু হওয়ায় আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি পাবে, পর্যটন খাত বিকশিত হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি জানান, ধাপে ধাপে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং ভাড়া কমিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রমণ আরও সহজ করা হবে। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানে গিয়ে দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যময় খাবার উপভোগ করবেন।
অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংযোগ জোরদার করাই ছিল নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, গত বছরের আগস্টে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের ঢাকা সফরের সময় উভয় দেশ দ্রুত সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে একমত হয়।
মন্তব্য করুন

