

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এর অভিযানে হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সামিউল হক অনিককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ইসলামাবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং জগদীশপুর জে.সি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত সামিউল হক অনিক ভিকটিমের পাশের বাড়িতে স্ত্রীসহ ভাড়া থাকতেন। তিনি বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি ভিকটিমের পিতা জানতে পেরে বাধা দিলে সামিউল ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমকে অপহরণের হুমকি দেন।
ঘটনার দিন গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ভিকটিম স্কুলে যাওয়ার পর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি। পরে একই দিন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ভিকটিমের পিতা জানতে পারেন, স্কুলে যাওয়ার পথে বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সামিউল হক অনিক ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে ভিকটিমকে অজ্ঞাত স্থানে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত/২০২৫) এর ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন ওলিপুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান পলাতক আসামি সামিউল হক অনিক (২৫), পিতা—মো. আলাউদ্দিন, সাং—মোহনপুর ধর্মঘর, থানা—মাধবপুর, জেলা—হবিগঞ্জকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
