

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সকালের নাশতায় ডিম থাকলে পুষ্টি নিয়ে আর চিন্তা করতে হয় না। তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় প্রাণিজ আমিষের মধ্যে ডিম সহজলভ্য এবং দারুণ উপকারী।
ডিমে শুধু প্রোটিনই নয়, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিডও থাকে। এছাড়া দ্রুত রান্না করা যায় এবং বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া সম্ভব। তবে ডিমের কোন ধরনের পদ থেকে সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে, এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলাদা মতামত রয়েছে।
রান্নায় তাপ ও পুষ্টির সম্পর্ক
পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম যত বেশি সময় বা তাপে রান্না হয়, প্রোটিনের গঠন বদলে যায়। এর ফলে দেহে শোষণ কিছুটা কমে আসে। তাই ডিম অল্প সময় রান্না করা হলে সেটাই সবচেয়ে উপকারী হয়।
কোন পদে কেমন পুষ্টি?
✅ সেদ্ধ ডিম
সব বয়সের জন্য উপযোগী
সহজপাচ্য ও বাড়তি ক্যালরির ঝুঁকি নেই
পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে
✅ পানি পোচ
ডিমের সাদা অংশ নরম থাকে
তেল ব্যবহার হয় না, তাই স্বাস্থ্যকর
আমিষের মান অটুট
⚠️ তেলে ভাজা পোচ
ডিমের পুষ্টি পাওয়া যায়
তবে সাদা অংশ শক্ত হয়ে গেলে প্রোটিনের মান কিছুটা কমে যায়
অতিরিক্ত ভাজা বা বাদামি হয়ে গেলে গুণাগুণ আরও নষ্ট হয়
তেল যোগ হয়, যদিও সীমিত পরিমাণে খেলে বড় ক্ষতি নেই
⚠️ অমলেট
প্রোটিন থাকে ঠিকই, তবে বেশি সময় রান্না করায় মান কিছুটা কমে যায়
অন্যান্য উপকরণ মেশানো হলে ক্যালরি বাড়তে পারে
ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে করণীয়
অতিরিক্ত তাপ বা দীর্ঘসময় রান্না করা থেকে বিরত থাকুন
তেলে রান্না করলে একবার ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার করবেন না
কোনো বিশেষ স্বাস্থ্যগত কারণে চিকিৎসক নিষেধ না দিলে কুসুমসহ ডিম খাওয়াই ভালো, এতে পূর্ণাঙ্গ পুষ্টি মেলে
মন্তব্য করুন
