

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে একাত্তর টেলিভিশনের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শফিক আহমেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। আগামী ১৩ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার গত ২৮ জুন এ সমন জারি করেন। মামলাটি করেন একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের সাবেক কো-অর্ডিনেটর বাবুল আক্তার।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগের এজিএম অসীম কুমার এবং হিসাব বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সুমন ভৌমিক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১ মে একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে যোগ দেন বাবুল আক্তার।
চাকরিতে যোগ দেওয়ার কিছুদিন পর, ১২ মে কোনো নোটিশ ছাড়াই তার বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং অফিসিয়াল মোবাইল সিম বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এরপর বিষয়টি নিয়ে গত ১২ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে আইনি নোটিশ পাঠান বাবুল। তার দাবি অনুযায়ী, নোটিশের পর প্রতিষ্ঠান থেকে পাওনা ২ লাখ ১১ হাজার ৮৪০ টাকার মধ্যে ৮৮ হাজার ১২৫ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি ১ লাখ ২৩ হাজার ৩১৫ টাকা পরিশোধ করা হয়নি।
মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, বকেয়া পাওনার বিষয়টি আসামিদের মৌখিকভাবে জানানো হলে দ্রুত টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে অপেক্ষা করলেও পরবর্তীতে পাওনা পরিশোধে টালবাহানা করা হয় বলে অভিযোগ বাদীর।
একপর্যায়ে গত ২৫ জুন বিকেলে নিজের পাওনা টাকা চাইতে বারিধারায় একাত্তর টেলিভিশনের কার্যালয়ে যান বাবুল আক্তার। সেখানে আসামিদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয় এবং তাকে দেখে নেওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন সাবেক এই কর্মকর্তা। পরে অভিযোগের প্রাথমিক শুনানি শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত এবং আগামী ১৩ আগস্ট তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মোস্তফা কামাল একাত্তর টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আর শফিক আহমেদ প্রতিষ্ঠানটির বার্তা প্রধান ও সিওও হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। (একাত্তর)
তবে মামলায় আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। আদালতে পরবর্তী শুনানিতে তাদের বক্তব্য জানা যেতে পারে।

