

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর মতিঝিল থানায় দায়ের করা অস্ত্র আইনের মামলায় পাঁচ দিনের পুলিশি রিমান্ড শেষে তানিম রেজা বাপ্পি (৪৬) ও তার সহযোগী মো. রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়া রিজন (৩৫)-কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দুই আসামির কাছ থেকে মামলার তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দীন মাছুমের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, এর আগে দুই আসামিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করে আইনানুগভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তারা মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং তারা আত্মগোপনে যেতে পারেন। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়, যা আদালত মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এর আগে চাঁদাবাজির একটি মামলায় বাপ্পি ও রিজন সাত দিনের রিমান্ডে ছিলেন। সেই রিমান্ড শেষে অস্ত্র আইনের মামলায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, পুলিশের অভিযানে হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে বাপ্পিকে এবং উত্তর কমলাপুর থেকে রিজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান এবং একটি বিদেশি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।
চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগে বলা হয়, কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদার ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি পূরণ না করলে তাকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার অফিসে গুলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথকভাবে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করে।