শনিবার
০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যাচেষ্টা মামলায় কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বির নামে ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিন আসামি কলিমউল্লাহ’র পক্ষে আইনজীবী আব্দুল রশীদ এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিরোধিতা করে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তর পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবু সাঈদ গত ২৮ জুলাই আসামি কলিমউল্লাহকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে একই আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, হাজতি আসামি কলিমউল্লাহ এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে আটক থাকায় তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্তকার্য সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কলিমউল্লাহকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

২০২৫ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক এই ভাইস চ্যান্সেলরের (ভিসি) বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় ওইদিনই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভিকটিম মুস্তাঈন বিল্লা সাব্বির অংশ নেন। গত ১৯ জুলাই বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন রবীন্দ্র স্বরনী রোড এলাকায় অবস্থান কালে আসামিরা মারাত্মক অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিতভাবে গুলি চালায়।

এসময় একটি গুলি বাদীর বাম হাতের কুনই এর মাঝখানে লেগে বিপরীত পাশে বের হয়ে যায় এবং গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয় এবং আরও কয়েক জন গুলিবিদ্ধ হয়। উপস্থিত লোকজন বাদীকে উত্তরা হাইকেয়ার জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (নিটোর) ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে উত্তর পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন