

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ছুটি মিললেও অনেকের বিদেশ ভ্রমণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভিসা প্রক্রিয়া। দীর্ঘ আবেদন, কাগজপত্র ও অপেক্ষার ঝামেলা এড়িয়ে সহজে ভ্রমণ করতে চান অনেকেই। বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য এশিয়ার কয়েকটি দেশে রয়েছে এমন সুযোগ—কোথাও আগাম ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করা যায়, আবার কোথাও পৌঁছানোর পর নেওয়া যায় ভিসা অন অ্যারাইভাল।
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬ সালের জুলাই সংস্করণ অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুবিধা পান। সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়ে ৯৭তম অবস্থানে রয়েছে। একই অবস্থানে আছে উত্তর কোরিয়া।
এশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য তুলনামূলক সহজ ভ্রমণ সুবিধা থাকা কয়েকটি দেশের তালিকা:
ভুটান
পাহাড়, প্রকৃতি ও শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত ভুটান বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় গন্তব্য। নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত পূরণ করলে বাংলাদেশি নাগরিকরা এখানে ভিসা ছাড়াই প্রবেশের সুযোগ পান।
মালদ্বীপ
নীল সমুদ্র, প্রবাল দ্বীপ ও বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য বিখ্যাত মালদ্বীপে বাংলাদেশিরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান। অবকাশযাপন ও হানিমুনের জন্য দেশটি অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।
নেপাল
হিমালয়ের দেশ নেপালেও বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য রয়েছে সহজ প্রবেশ সুবিধা। ভিসা অন অ্যারাইভালের মাধ্যমে কাঠমান্ডু, পোখারা কিংবা এভারেস্ট অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন ভ্রমণকারীরা।
শ্রীলঙ্কা
ঐতিহ্য, ইতিহাস, সমুদ্রসৈকত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। ভ্রমণের আগে দেশটির সর্বশেষ ভিসা নীতি ও প্রবেশসংক্রান্ত নিয়ম জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
কম্বোডিয়া
প্রাচীন আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা অন অ্যারাইভালের সুবিধা পেতে পারেন। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বে আগ্রহীদের জন্য এটি আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য।
তিমুর-লেস্তে (ইস্ট তিমুর)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটি এখনো অনেক পর্যটকের কাছে তুলনামূলক কম পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্র ও শান্ত পরিবেশের কারণে ধীরে ধীরে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ছে। বাংলাদেশিরাও এখানে ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পেতে পারেন।
ভ্রমণের আগে যেসব বিষয় মাথায় রাখা জরুরি
ভিসামুক্ত বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশনীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক দেশের ক্ষেত্রেই ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, ফেরার টিকিট, থাকার প্রমাণ, পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণসহ কিছু নথি দেখাতে হতে পারে।
ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।