

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রণ ত্বকের একটি অতি পরিচিত অথচ বিব্রতকর সমস্যা, যা থেকে দ্রুত নিরাময় পেতে অনেকেই নানা ধরনের ঘরোয়া উপায়ের শরণাপন্ন হন। এসব কৌশলের মধ্যে ব্রণে টুথপেস্ট ব্যবহার করার ধারণাটি বেশ পুরোনো এবং বহুল প্রচলিত।
ব্রণে টুথপেস্ট লাগানোর পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উপরিভাগের ফোলা ভাব ও লালচে ভাব কিছুটা কমে যায় বলে অনেকেই মনে করেন এটি বেশ কার্যকর।
তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, দৃশ্যমান এই সাময়িক পরিবর্তনকে ব্রণ নিরাময় ভেবে ভুল করা একেবারেই উচিত নয়, কারণ এতে ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে।
মূলত আগের দিনের টুথপেস্টগুলোতে ট্রাইক্লোসানের মতো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের পাশাপাশি বেকিং সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড থাকত।
এই উপাদানগুলো ত্বকের তেল ও আর্দ্রতা দ্রুত শুষে নিয়ে ব্রণকে সাময়িকভাবে শুকিয়ে ফেলে।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্রণ দূর করার ৭ কার্যকর উপায়
সাময়িক এই শুষ্কতা ও ফোলা ভাব কমাকে মানুষ ব্রণের নিরাময় বলে ভুল করে। অথচ টুথপেস্ট তৈরি করা হয়েছে দাঁতের এনামেলের যত্নে, মুখের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য নয়।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পদ্ধতির ব্যবহারকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। ২০১৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, কিছু সাদা টুথপেস্ট ব্রণ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে খানিকটা কাজ করলেও এটি কোনো নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি নয়।
বিশেষ করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকারী বা হোয়াইটেনিং টুথপেস্টে থাকা তীব্র উপাদানগুলো ত্বকে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া, লালচে দাগ, চুলকানি এমনকি স্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে।
তাই সহজে সমাধান পাওয়ার আশায় টুথপেস্ট ব্যবহার না করে ত্বকের সুরক্ষায় বিজ্ঞানসম্মত চর্মরোগ চিকিৎসার পথ বেছে নেওয়াই শ্রেয়।