

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রতিবছরের মতো ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনেসকো এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে- ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’।
সাক্ষরতা প্রসারে সরকারি উদ্যোগ
দেশে সাক্ষরতার হার ক্রমান্বয়ে বাড়লেও এখনও মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ নিরক্ষরতার অন্ধকারে রয়ে গেছে। নিরক্ষরতা দূরীকরণে সরকারি সংস্থা ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো’ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের তথ্যমতে, দেশের ৬৪ জেলার ২৪৮টি উপজেলার ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী প্রায় সাড়ে ৪৪ লাখ মানুষকে মৌলিক সাক্ষরতার আওতায় আনা হয়েছে।
এছাড়া ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী বিদ্যালয়ছুট কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষার মূলধারায় ফেরাতে একটি পাইলট প্রকল্পও চালু রয়েছে। তবে এসব পরিসংখ্যানের সাথে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার ব্যবধান নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সাক্ষরতার হারে বাংলাদেশ বেশ আশাব্যঞ্জক অবস্থানে রয়েছে।
প্রথম স্থান: মালদ্বীপ (সাক্ষরতার হার ৯৭.৮৬%)
দ্বিতীয় স্থান: শ্রীলঙ্কা (সাক্ষরতার হার ৯২.৩৮%)
তৃতীয় স্থান: বাংলাদেশ (সাক্ষরতার হার ৭৮%)
অন্যান্য দেশ: ভারত (৭৪.৩৭%) এবং পাকিস্তান (৫৮%)
পরিসংখ্যান অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় হলেও, একটি শতভাগ সাক্ষর সমাজ গঠনে মানসম্মত শিক্ষা ও প্রযুক্তিভিত্তিক সাক্ষরতা প্রসারে আরও দীর্ঘ পথ চলা বাকি।


