

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অপ্রতিরোধ্যো ক্যানসারের আক্রান্ত হয়ে নিজের সঙ্গে লড়াইয়ের প্রতিটি অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে পরিচিতি পাওয়া জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সিডনি টাওল মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৬ বছর। খবর বিবিসির।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিডনি টাওলের পরিবারের পক্ষ থেকে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরিবার জানায়, পিত্তনালির ক্যানসার (বাইল ডাক্ট ক্যানসার) শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার জটিলতায় তার মৃত্যু হয়েছে।
টিকটকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় সিডনির ভাই অস্টিন টাওল, মায়ের উপস্থিতিতে বলেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে কোলাঞ্জিওকারসিনোমার (পিত্তনালির ক্যানসার) সঙ্গে লড়াই করার পর গত রাতে সিডনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।’
মৃত্যুর কয়েক দিন আগে সিডনিকে হসপিস কেয়ারে নেয়া হয়েছিল। মৃত্যুর সময় তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাস করছিলেন। টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখেরও বেশি এবং ইনস্টাগ্রামে ছিল ২ লাখের বেশি অনুসারী।সংবাদ প্রতিবেদন
গত তিন বছর ধরে কেমোথেরাপি নেয়া, ক্যানসারের সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াই, আশা, আনন্দ ও সংগ্রামের নানা মুহূর্ত তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত শেয়ার করতেন। তার সেই যাত্রা লাখো মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।
পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সিডনি যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে এবং এত মানুষের সঙ্গে নিজের যাত্রা ভাগ করে নিয়েছে, তা নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দুর্লভ ধরনের ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ও সোচ্চার হতে উৎসাহিত করা ছিল সিডনির অন্যতম লক্ষ্য। আমরা তার পরম্পরা ধরে রাখব এবং সবসময় তাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।’
সিডনির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলোতে হাজারো অনুসারী শোক প্রকাশ করেন। অনেকে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বার্তা দেন এবং তার সাহসিকতা ও অনুপ্রেরণামূলক জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।