রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদিয়া আয়মানের সঙ্গে প্রেম, মুখ খুললেন খায়রুল বাসার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand

ছোট পর্দার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় জুটি খায়রুল বাসার ও সাদিয়া আয়মানকে এখন আর একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায় না।

তাদের পর্দার রসায়ন যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করত, তেমনি পর্দার বাইরের প্রেমের গুঞ্জনও ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

দীর্ঘদিনের এই দূরত্ব এবং তাদের সম্পর্কের সত্যতা নিয়ে সম্প্রতি এক পডকাস্টে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেতা খায়রুল বাসার।

সম্পর্কের শুরুর কথা স্মরণ করে বাসার জানান, প্রায় তিন বছর ধরে তাদের একসঙ্গে কাজ করা হয় না, তবুও বারবার সাদিয়া আয়মানের নাম উঠে আসে।

তিনি এই গুঞ্জনগুলোকে এড়িয়ে যেতে চাইতেন, কারণ তার মতে, ভালো কিছু ভালো রাখা বেশ কঠিন এবং মানুষ বিষয়টিকে সহজভাবে গ্রহণ করে না। পডকাস্টে তিনি স্বীকার করেন যে, সাদিয়ার সঙ্গে তার প্রেম ছিল।

সাদিয়ার সঙ্গে পরিচয়ের বিষয়ে বাসার বলেন, ‘নাটক করতে গিয়ে না, ওর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ছিল একটা বিজ্ঞাপনের থ্রুতে।

আমার কাছে একটা বিজ্ঞাপন আসে, তারা চাচ্ছিল বাঙালি, আনাড়ী এরকম একটা মেয়ে দরকার যে শাড়ি পরলে তাকে মনে হবে এই। তো ওর একটা আমি মনে হয় নাটকে একঝলক তাকে দেখি।

তখন আমি ওনাদের বললাম যে, ও হতে পারে, আপনারা দেখেন। ওই কাজে প্রথম দেখা, তারপরে মাঝেমধ্যে কথা হতো।

জিনিসটা কি আসলে প্রেম কি না তাও জানি না, কারণ এখন মনে হয় আরকি যে কিছুই ছিল না আসলে।’

২০২৪ সালের মার্চে পরিচালক মাবরুর রশিদ বান্নার একটি নাটকের শুটিং সেটে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার পর থেকে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে বাসার স্পষ্ট করেন যে, তাদের একসঙ্গে কাজ আগে থেকেই বন্ধ ছিল।

বান্না ভাইয়ের সঙ্গে কমিটমেন্টের কারণেই সেই কাজটি তিনি শেষ করেন এবং সেটিই ছিল তাদের শেষ কাজ।

শুটিং সেটে কোনো ঝামেলার কথা অস্বীকার করে তিনি জানান, সেখানে শুধুই কাজ হয়েছে।

ব্রেকআপের পরও প্রফেশনাল খাতিরে কাজ করা প্রসঙ্গে বলিউডের উদাহরণ টানা হলে, দর্শকদের হতাশার বিষয়টিও উঠে আসে।

এ বিষয়ে বাসার জানান, তাদের একসঙ্গে কাজ না করাই শ্রেয় বলে তিনি মনে করেন। ব্রেকআপের পর পেশাদারিত্ব বজায় না থাকার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কাজের ক্ষেত্রে দুজনকে স্বাভাবিক থাকতে হবে, কিন্তু সেই পরিবেশ তারা রাখতে পারেননি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank