

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসরে গিয়ে হামলার ঘটনার পর কঠিন সময়ে ইতালি সরকার ও উৎসব কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি বলেন, নিজের কিছু মানুষ যখন তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে, তখন অপ্রত্যাশিতভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে ইতালি সরকার ও চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইতালির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লুসিয়া বোরগনজোনির সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন বাঁধন। ওই পোস্টে তিনি জানান, ইতালি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও আন্তরিকতা তার কাছে বিশেষ অর্থ বহন করছে।
সাক্ষাতের মুহূর্তটি শেয়ার করে ইতালি সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘এই কঠিন সময়ে ইতালি সরকারের কাছ থেকে যে সমর্থন ও আন্তরিকতা পেয়েছি, তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিষয়টি সত্যিই আমার কাছে অনেক অর্থবহ।’
এরপর আরেকটি পোস্টে নিজের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আরও খোলামেলা কথা বলেন বাঁধন। তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ আমাদের জন্য কী পরিকল্পনা করে রেখেছেন, তা আমরা কখনোই সত্যিকার অর্থে জানি না।’
বাঁধন জানান, ওই দিন ইতালির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে তার। একই সঙ্গে তিনি জানতে পেরেছেন, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ তার থাকার ব্যবস্থার দায়িত্বও নিয়েছে।
এ বিষয়টিকে জীবনের এক ‘অদ্ভুত পরিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করে বাঁধন লেখেন, ‘যখন আমার নিজের কিছু মানুষ আমাকে পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন উৎসব এবং ইতালি সরকার এত আন্তরিকতা ও সহযোগিতা নিয়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।’
জীবনের এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুন করে একটি উপলব্ধি দিয়েছে বলেও জানান অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘জীবন অদ্ভুতভাবে মনে করিয়ে দেয়- একটি দরজা বন্ধ হয়ে গেলে আল্লাহ সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গায় আরেকটি দরজা খুলে দিতে পারেন।’
পোস্টের শেষাংশে বাঁধন লেখেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আগের চেয়ে এখন আমি তার পরিকল্পনার ওপর আরও বেশি আস্থা রাখি।’
উল্লেখ্য রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে বর্তমানে ইতালিতে রয়েছেন বাঁধন। ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির প্রদর্শনী উপলক্ষে সেখানে যান তিনি।
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভাই ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে যাওয়ার পর হামলার শিকার হওয়ার কথা জানান বাঁধন। ঘটনার পর তার পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।



