বুধবার
০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার
০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসন ভিত্তিক জরিপ: বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

৩০০ আসনের বিশদ তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বেশির ভাগ আসনই ‘টস-আপ’ বা ‘লিন’ শ্রেণীতে, যেখানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগ/ জাতীয় পার্টির (আওয়ামী লীগ/জাপা) মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে।

এই চিত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নির্বাচনটি আর একতরফা বা সহজ কোনো সমীকরণে আবদ্ধ নেই বরং এটি হতে যাচ্ছে ভোট, জোট ও জনমনের সূক্ষ্ম হিসাবের নির্বাচন।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আসনভিত্তিক সম্ভাব্য ফলাফলের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা এক কথায় বলা যায়- দেশজুড়ে অনিশ্চয়তার বিস্তার, সাথে অঞ্চলভেদে কিছু স্পষ্ট রাজনৈতিক ঘাঁটি।

৩০০ আসনের বিশদ তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বেশির ভাগ আসনই ‘টস-আপ’ বা ‘লিন’ শ্রেণীতে, যেখানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগ/ জাতীয় পার্টির (আওয়ামী লীগ/জাপা) মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে।

এই চিত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নির্বাচনটি আর একতরফা বা সহজ কোনো সমীকরণে আবদ্ধ নেই বরং এটি হতে যাচ্ছে ভোট, জোট ও জনমনের সূক্ষ্ম হিসাবের নির্বাচন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে করা জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে। এখানে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নামে-বেনামে একটি জোট হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে ধরে নেয়া হয়েছে।

জরিপের বিশ্লেষণপদ্ধতি অনুসারে শক্ত আসনে প্রথম দলকে প্রায় নিশ্চিত ধরা হয়েছে; ঝোঁকা আসনে প্রথম দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে; টস-আপ আসনে প্রথম ও দ্বিতীয় দলের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে আর জাপাকে ধরা হয়েছে মূলত আওয়ামী লীগের সহায়ক জোট শক্তি হিসেবে। জাতীয় পার্টি সরাসরি নির্বাচন করছে, আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা করছেন স্বতন্ত্র হিসেবে।

টস-আপের বিস্তার : জাতীয় রাজনীতির সবচেয়ে বড় বার্তা

তালিকাভুক্ত আসনগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই ‘টস আপ- রংপুর থেকে শুরু করে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ- সব বিভাগেই এই প্রবণতা প্রায় সমানভাবে ছড়িয়ে আছে।

বিশেষ করে, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যেখানে বহু আসনে আওয়ামী লীগ/জাপা তৃতীয় অবস্থানে। ঢাকা মহানগর ও পার্শ্ববর্তী জেলা (ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী) প্রায় সম্পূর্ণরূপে টস-আপ বা বিএনপি-লিন। চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলে বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্ব সবচেয়ে প্রকট।

এই বিস্তৃত টস-আপ পরিস্থিতি বোঝায়, ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন, কিংবা দলীয় আনুগত্যের চেয়ে প্রার্থী, স্থানীয় ইস্যু ও রাজনৈতিক বিশ্বাস বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

‘স্ট্রং’ বা শক্ত আসন : পুরনো ঘাঁটি এখনো টিকে আছে

যদিও সামগ্রিকভাবে অনিশ্চয়তা প্রবল, তবু কিছু অঞ্চলে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘাঁটি এখনো অটুট রয়েছে- গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুরের বড় অংশে আওয়ামী লীগ/জাপা ‘শক্ত’ অবস্থানে।

ভোলা, বরিশাল সিটি, ফেনী, কুমিল্লার কিছু অংশ ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি স্পষ্ট। খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল, সাতক্ষীরা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি-পার্বত্য এলাকায় জামায়াতের শক্তিশালী উপস্থিতি লক্ষণীয়।

এই আসনগুলোতে বড় কোনো রাজনৈতিক ধাক্কা না এলে ফলাফলে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।

লিন বা ঝোঁকা আসন : নির্বাচনের টার্নিং পয়েন্ট

সবচেয়ে কৌশলগত গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ঝোঁকা’ শ্রেণীর আসনগুলো। এগুলোতে সামান্য ভোটের ব্যবধানেই ফল পাল্টে যেতে পারে। বিএনপি-ঝোঁকা আসন বেশি দেখা যাচ্ছে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে।

জামায়াত-ঝোঁকা আসন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে উত্তর-পশ্চিম (রংপুর-রাজশাহী) এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে (খুলনা-সাতক্ষীরা)। আওয়ামী লীগ/জাপা ঝোঁকা আসন তুলনামূলকভাবে কম, তবে মধ্য ও দক্ষিণ-মধ্য অঞ্চলে এখনো দৃশ্যমান।

এই আসনগুলোই শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের সমীকরণ নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।

তিন শক্তির লড়াই : দ্বিদলীয় রাজনীতির অবসান?

এই আসনভিত্তিক চিত্র সবচেয়ে বড় যে রাজনৈতিক বার্তাটি দেয়, তা হলো- বাংলাদেশের রাজনীতি কার্যত ত্রিমুখী প্রতিযোগিতায় প্রবেশ করেছে। বিএনপি এখনো বৃহত্তম শক্তি।

জামায়াত গ্রাম ও মফস্বলে শক্ত সাংগঠনিক উপস্থিতি নিয়ে আবার কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দৃশ্যমান। আওয়ামী লীগ/জাপা জোট কিছু ঐতিহাসিক ঘাঁটিতে শক্ত থাকলেও বহু জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে।

এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভবিষ্যৎ সংসদে জোট ও সমঝোতা ছাড়া একক আধিপত্য কঠিন হতে পারে।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন শুধু ক্ষমতার প্রশ্ন নয়; এটি হয়ে উঠছে নতুন রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা।

টস-আপ আসনের আধিক্য, জামায়াতের পুনরুত্থান, বিএনপির আঞ্চলিক শক্তি এবং আওয়ামী লীগের সীমিত কিন্তু দৃঢ় ঘাঁটি- সব মিলিয়ে নির্বাচনটি হতে যাচ্ছে অনিশ্চিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং ফলাফলে চমকপ্রদ।

শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারিত হবে- ভোটার উপস্থিতি, প্রার্থী নির্বাচনের কৌশল, জোট রাজনীতি এবং নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর। একটি বিষয় নিশ্চিত- এই নির্বাচন আর আগের মতো পূর্বানুমেয় নয়।

নির্বাচন ২০২৬ : আসনভিত্তিক ডাটা বিশ্লেষণ

৩০০ আসনের সম্ভাব্য ফলাফলের তালিকা বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অনিশ্চিত ও ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনগুলোর একটি। নিচে স্ট্যাটাস, দলীয় অবস্থান ও অঞ্চলভিত্তিক ডাটা টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো।

ডাটা থেকে রাজনৈতিক পাঠ

সরকার গঠন এককভাবে কঠিন; জামায়াত আবার কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত; বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দৌড়ে এগিয়ে, তবে ঝুঁকিপূর্ণ আর আওয়ামী লীগ/জাপা ঘাঁটিতে শক্ত, জাতীয় বিস্তারে দুর্বল। ডাটা বলছে, ২০২৬ সালের নির্বাচন হবে ভোটারনির্ভর, জোটনির্ভর ও অনিশ্চিত ফলাফলের নির্বাচন।

যেখানে ৫০-৬০ আসনের দিক পরিবর্তনই পাল্টে দিতে পারে ক্ষমতার মানচিত্র। এটি আর শুধু নির্বাচন নয়, এটি বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভারসাম্যের গণভোট।

‘স্ট্রং’ কম, ‘টস-আপ’ বেশি-নির্বাচন যাচ্ছে অনিশ্চয়তার দিকেই

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের ৩০০ আসনের সম্ভাব্য রাজনৈতিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়- এবারের নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অনিশ্চিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও বহুমুখী। আসনভিত্তিক ডাটা অনুযায়ী, দেশের বেশির ভাগ আসন এখনো ‘টস-আপ’, অর্থাৎ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ফল অনির্ধারিত।

এই বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ঐতিহ্যগতভাবে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বহু এলাকাতেও বড় দলগুলোর আধিপত্য দুর্বল হয়েছে। একই সাথে জামায়াতে ইসলামী নতুন করে বহু অঞ্চলে কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে।

সামগ্রিক চিত্র : ৩০০ আসনের স্ট্যাটাস বিশ্লেষণ

ডাটা বিশ্লেষণে আসনগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- শক্ত (নিশ্চিত/প্রায় নিশ্চিত) : তুলনামূলকভাবে কম; ঝোঁকা (ঝুঁকিপূর্ণ হলেও এগিয়ে) : মাঝারি এবং টস-আপ (পুরোপুরি অনিশ্চিত) : সংখ্যাগরিষ্ঠ

অর্থাৎ, দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে শেষ মুহূর্তের প্রার্থী নির্বাচন, জোট সমীকরণ ও ভোটার উপস্থিতিই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করবে।

আঞ্চলিক বিশ্লেষণ : রংপুর বিভাগ : জামায়াতের বিস্তার, আওয়ামী লীগ/জাপার ঐতিহ্যগত আধিপত্য চ্যালেঞ্জে, রংপুর বিভাগের বহু আসনে জামায়াত প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে। পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাটে একাধিক টস-আপ আসন রয়েছে। রংপুর মহানগর ও কুড়িগ্রামে এখনো আওয়ামী লীগ/জাপা শক্ত, তবে ব্যবধান কমছে। দিনাজপুরে জামায়াত-বিএনপি-আওয়ামী লীগ/জাপা ত্রিমুখী লড়াই স্পষ্ট। এতে উত্তরাঞ্চলে এবার জামায়াত ‘কিংমেকার’ ভূমিকায় যেতে পারে।

রাজশাহী বিভাগ : বিএনপির ঐতিহ্যগত শক্তি, তবে টস-আপের ছড়াছড়ি : বগুড়া, নওগাঁ, নাটোরে বিএনপি শক্ত/ঝোঁকা বেশি; রাজশাহী নগরীসহ বহু আসনে জামায়াত-বিএনপি সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সিরাজগঞ্জে কিছু আসনে এখনো আওয়ামী লীগ/জাপা শক্ত অবস্থানে। এতে দেখা যায় রাজশাহীতে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেই।

খুলনা বিভাগ : জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি পুনরুদ্ধার : সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহে জামায়াত শক্ত/ঝোঁকা; খুলনা মহানগরে বিএনপি-আওয়ামী লীগের টানাপড়েন এবং উপকূলীয় এলাকায় জামায়াতের সংগঠিত ভোটব্যাংক স্পষ্ট। এতে দেখা যায়, খুলনা বিভাগে জামায়াত সবচেয়ে সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত।

বরিশাল বিভাগ : বিএনপির একক আধিপত্য : ভোলা, বরিশাল শহর, পটুয়াখালীতে বিএনপি শক্ত, এখানে জামায়াত দ্বিতীয় শক্তি আর আওয়ামী লীগ/জাপা বেশির ভাগ জায়গায় তৃতীয়। দেখা যায়- বরিশাল বিভাগ বিএনপির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অঞ্চল।

ঢাকা বিভাগ : সবচেয়ে জটিল ও বহুমাত্রিক লড়াই : ঢাকা মহানগরের বেশির ভাগ আসন ঝোঁকা বিএনপি বা টস-আপ; নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীতে ত্রিমুখী প্রতিযোগিতা এবং গোপালগঞ্জ, মাদারীপুরে আওয়ামী লীগ/জাপা শক্ত অবস্থানে। বস্তুত ঢাকায় সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

সিলেট বিভাগ : প্রবাসী ভোট ও ধর্মীয় রাজনীতির প্রভাব : এখানকার বেশির ভাগ আসন টস-আপ; কোথাও বিএনপি, কোথাও জামায়াত এগিয়ে; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ/জাপা কিছু শক্ত অবস্থানে। সিলেটে শেষ মুহূর্তের জোট সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চট্টগ্রাম বিভাগ : বিএনপি এগিয়ে, তবে জামায়াত বড় ফ্যাক্টর : ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম শহরে বিএনপি শক্ত/ঝোঁকা; সাতকানিয়া, বাঁশখালীতে জামায়াত শক্ত এবং পার্বত্য তিন জেলায় ফল অনিশ্চিত। চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও জামায়াত ছাড়া জয় কঠিন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি ও বার্তা : এই আসনচিত্র থেকে কয়েকটি বড় রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট- একদলীয় আধিপত্য ভেঙে পড়েছে; জামায়াত আবার জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে; বিএনপি সবচেয়ে বেশি আসনে এগিয়ে থাকলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত নয় এবং আওয়ামী লীগ/জাপা জোট কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলে শক্তিশালী।

উপসংহার : সরকার গঠনে জোটই চাবিকাঠি : ৩০০ আসনের এই বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৬ সালের নির্বাচন হবে- ত্রিমুখী, জোটনির্ভর এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চিত। যে দল বা জোট টস-আপ আসনগুলোয় সংগঠন, প্রার্থী ও মাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তারাই ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছবে। এই নির্বাচন কেবল ভোটের নয়, কৌশল ও সমঝোতার নির্বাচন। এতে সরকার গঠনে জোট ছাড়া বিকল্প নেই। সূত্র: নয়া দিগন্ত

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X