বৃহস্পতিবার
০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কাছে যে প্রশ্ন করলো ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি
expand
সংগৃহীত ছবি

জকসু নির্বাচন চলাকালে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তা ও পরে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা ও সমালোচনা করছেন নেটিজেনরা। এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভুইয়া মোনামী।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক পোস্টে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কাছে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এভাবেই কী আপনারা গণতান্ত্রিক চর্চা করতে চান। এত বড় একটি গণঅভ্যুত্থানের পরও আমরা মেয়েদের সম্মান দিতে পারছি না। দুঃখে ও লজ্জায় মাথা নুয়ে যাচ্ছে আমার।

পোস্টে সহকারী প্রক্টর মোনামী লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী আমরা রাজনৈতিক যে পরিবর্তন আশা করেছিলাম সকল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম‍্যান জনাব তারেক রহমানের বিগত দিনগুলোর আচরণ তাতে আমাদের মনে স্বস্তি বয়ে নিয়ে আসছিল। অন্তত তার দল ও অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে সুস্থ, সহযোগিতামূলক ও সুন্দর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চা হবে দেশে সে আশাই করেছিলাম। কিন্তু আজ আশাহত হলাম।

‘‘জকসু নির্বাচনে ভিন্ন দলের সমর্থিত প্যানেলের ভিপিপ্রার্থীর স্ত্রী ও জবি শিক্ষার্থী মাহিমা আক্তারকে আজকে যে হেনস্তা করা হলো তা কেমনতর রাজনৈতিক চর্চা? এমনকি প্রকাশ্যে জোরপূর্বক হিজাব নিকাব খুলতে বাধ্য করার চেষ্টা চালানো হয়। এটা তো আরো লজ্জাজনক ও দুঃখজনক। এটাই বা কেমন সু্স্থধারার রাজনীতি? আপনাদের দলের প্রার্থীও তো পর্দা করেন। নাকি আপনারাও বিগত ফ‍্যাসিস্ট সরকারের মতো এ দেশে কেউ স্বাধীন ‍ভাবে তার ধর্ম চর্চা করুক সেটাও চান না?’’

তিনি লেখেন, আমার লজ্জায় ও দুঃখে মাথা নুয়ে যাচ্ছে। এত বড় একটা গণঅভ্যুত্থান এর পরও আমরা আমাদের মেয়েদের সম্মান দিতে পারছি না! যারাই এমনটা করেছে তাও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে, আমি তাদের মূল দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ও সিনিয়র নেতাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম। এভাবেই কি আপনারা গণতান্ত্রিক চর্চা করতে চান?

‘‘আমি জানি আমি এ ইস্যু নিয়ে কথা বলায় আপনারা আমাকে একটা নির্দিষ্ট দলের সমর্থক বলবেন, আমাকে নিয়েই নোংরামি শুরু হবে। তাতে আমার কিছু যায় আসেনা। আপনারা গণতান্ত্রিক চর্চা করুন। সুস্থধারার রাজনীতি করুন। তখন আমি আপনাদের পক্ষেও কথা বলবো। তখন আমাকে হয়তো অন্যরা আপনাদের দলের লোকই বলবে।’’

সবশেষে তিনি লেখেন, আমি শুধু ন‍্যায়ের পক্ষে থাকতে চাই। And..I shall not be silenced.

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X