

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনায় প্রভোস্টের স্টাফদের মাধ্যমে তৈরি একটি লিখিত বক্তব্যে জোর করে স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক শেয়ার পোস্টে এ অভিযোগ করেন তিনি।
প্রভোস্টের স্টাফদের তৈরি ওই লিখিত বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে সাদিক কায়েম বলেন, সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি হল সংসদের ভিপি, জিএস, এজিএসসহ অন্যদের প্ররোচনায় পড়ে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছি।’
পোস্টের শেষে ঘটনার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বক্তব্য তুলে ধরে সাদিক কায়েম লেখেন, ‘ছাত্রলীগের গেস্টরুম সংস্কৃতি প্রভোস্টের রুমেই অনুভব করলাম।’
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হল প্রভোস্টের বিরুদ্ধে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীমকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে।
রোববার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম।
প্রভোস্টের কার্যালয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করে ইব্রাহীম লিখেছেন, ‘ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করায় হলের প্রভোস্ট তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আনুমানিক দেড় ঘণ্টা ধরে তীব্র ভীতি প্রদর্শন, সিট ও ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দেওয়ার ভয় দেখান।’
ইব্রাহীমের অভিযোগের পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় প্রভোস্টের স্টাফদের মাধ্যমে তৈরি করা একটি লিখিত বক্তব্যে জোর করে স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।


