

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্বর্ণের দাম বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয় বলে দাবি করেছে বাজুস।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাজুসের নির্বাহী সচিব খালেদ আকনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়।
বাজুস জানিয়েছে, বাংলাদেশে স্বর্ণের সরবরাহ মূলত আমদানিনির্ভর। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। একইভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের মূল্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংগঠনটি বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করাই তাদের অন্যতম দায়িত্ব। এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য বাজুসের অধীনে ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’ নামে একটি কমিটিও রয়েছে।
বাজুস বলেছে, কমিটিটি নিয়মিত স্বর্ণের বাজার ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। তাই কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেদের ইচ্ছামতো দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করতে পারে না।
সম্প্রতি ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের দেয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, মূল্য পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনায় নিয়েই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়।
স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে, সে কারণেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।


