

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। সংঘর্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল জনি ও বহিষ্কৃত এক ছাত্রলীগ নেতা রিজওয়ানুল করিম রাব্বী আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে ছাত্রদলের একটি কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মীকে অন্তর্ভুক্তির বিষয় নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে এ ঘটনা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকারের অনুসারী রাব্বি, যিনি পূর্বে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সাংবাদিকদের পেটানোর অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। রাব্বিসহ আরও কয়েকজন সদস্য সচিব মামুন সরকারের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি জানান, এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর বুধবার সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে সেই তিন বছরের জন্য বহিষ্কৃত ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী হামলার শিকার হন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তবে ঘটনাটি এমন নয় বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শাখার আহ্বায়ক হাবিব। তিনি বলেন, আসলে বিষয়টা এমন না। কোনো দু’পক্ষ ছিল না, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছিল। সিনিয়র-জুনিয়র একটা বিষয় নিয়ে ছোট একটা ইস্যু থেকে একটু বড় রূপ নেয়। আমি এবং সদস্য সচিব দু’জন উপস্থিত থেকে সিনিয়র-জুনিয়র যারা ছিল, তাদেরকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টরা সুযোগ পাচ্ছে কিনা বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখব। বিষয়টি সাংগঠনিকভাবেই বিবেচনা করা হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকার বলেন, ঘটনাটি মূলত জুনিয়র ও সিনিয়রদের মধ্যে সৃষ্ট একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল। পরবর্তীতে বিষয়টিকে বড় আকার দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, একটা ঝামেলার খবর পাই। সেখানে উপস্থিত হয়ে ঝামেলার সমাধান করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
সূত্র: জাগো নিউজ