

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফরে এক শিক্ষক কর্তৃক সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা সফরে ইএসটি বিভাগের লেকচারার মনিরুল ইসলাম কর্তৃক সংঘটিত ছাত্রী হয়রানির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে ডিন’স কমিটির আহ্বায়ককে সভাপতি এবং প্রক্টরকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন, বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের প্রভোস্ট এবং ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোপাল চন্দ্র ঘোষ বলেন, “এ বিষয়ে আমরা এখন কোনো মন্তব্য করছি না।”
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সভাপতি ও ডিন’স কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. ইমরান খান বলেন, “অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি কী, সেটি জানার জন্যই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কম্পেলেন্ট কমিটি কোনো অভিযোগ পেয়েছে কি না জানতে চাইলে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার বলেন, “ইএসটি বিভাগের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আমরা কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।”
অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, যেহেতু ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন হয়েছে, তাই এ বিষয়ে গণমাধ্যমে এখন কথা না বলাই শ্রেয়। কমিটি যদি আমাকে ডাকে, পুরো বক্তব্য সেখানে তুলে ধরব।