

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাতে নিহত নারী শারমিন খানমের বাবা সাহাদত মোল্ল্যা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় জামাতা (শারমিনের স্বামী) পলাতক ফোরকানসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিহত নারীর বাবা সাহাদত মোল্ল্যা বাদী হয়ে ফোরকানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
কাপাসিয়া থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
এর আগে শনিবার সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রাম থেকে ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তিনি মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) ও শ্যালক রসুল মিয়ার (২২) গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা যায়, ভাড়ায় গাড়িচালক ফোরকানের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর এলাকায়। তিনি পরিবার নিয়ে কাপাসিয়ায় বছর খানেক ধরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক আছেন।
