

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে হান্টাভাইরাস। আটলান্টিক মহাসাগরে ভ্রমণরত একটি প্রমোদতরীতে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হলেও, এটিকে নতুন কোনো মহামারির সূচনা নয় বলে আশ্বস্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৮ মে) পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের দেহে হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া সবগুলো সংক্রমণই ‘অ্যান্ডিস ভাইরাস’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ডব্লিউএইচও জানায়, একটি প্রমোদতরীতে প্রাদুর্ভাবের পর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোনো পরিস্থিতি নয়।
সংস্থার সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আক্রান্ত জাহাজের সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসছেন, তাদের আরও বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এর সংক্রমণ পদ্ধতি কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। ফলে এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
মারিয়া ভ্যান ক্যারকোভ আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ছয় বছর আগের কোভিড মহামারির শুরুর সময়ের মতো নয়। এটি কোনো নতুন মহামারির সূচনা নয়, বরং একটি সীমিত প্রাদুর্ভাব, যা একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।”
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি দম্পতি আগে এমন কিছু এলাকায় ভ্রমণ করেছিলেন, যেখানে হান্টাভাইরাস বহনকারী ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল।
সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেন, কীভাবে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে তা এখনও তদন্তাধীন। জানা গেছে, সংক্রমিত প্রথম দুই ব্যক্তি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎসের সংস্পর্শে আসেন।
তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের ভ্রমণ ইতিহাস ও সংক্রমণের উৎস শনাক্তে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ডব্লিউএইচও।
সূত্র: বিবিসি
