

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন হবে ২০ তারিখেই। তবে অঙ্গীকারনামায় প্রার্থীদের সই করতে হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এদিকে অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করার বিষয়টি প্রত্যাখান করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা দিবেন স্মারকলিপি।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি জানান বিভিন্ন প্যানেলের ভিপি প্রার্থীরা।
ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের অঙ্গিকারনামা দিতে প্রস্তুত নই। আমরা নিজের দায় বা প্যানেলের কেউ অন্যায় করলে তার দায় নিতে পারি, কিন্তু সবার দায় তো আমাদের পক্ষে নেয়া সম্ভব না। এজন্য আমরা সকল প্যানেল মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা এ ধরনের কোনো অঙ্গিকারনামায় যাবনা। বরং আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটা স্মারকলিপি দিব, আমরা সেখানে বলবো যে আমাদের জায়গা থেকে নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। আমরা একটা উৎসবমুখর, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন আয়োজন করতে চাই।’’
ছাত্রদল সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, ‘ শাকসু নির্বাচনে যেন কোনো সহিংসতা না হয় সেটা দেখার দায়িত্ব কি আমাদের? এটা দেখার দায়িত্ব আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের। তাহলে কেন আমাদের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামায় সই নেয়া হবে বুঝতেছিনা। এটা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি, আমরা কেউই এই অঙ্গীকারনামায় সই করব না।
এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বলেন, ‘ইসি বরাবর আমাদের আবেদন তুলে ধরা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রত্যেক প্যানেলের দুই থেকে তিনজন করে প্রার্থীদের সম্মিলিতভাবে অঙ্গীকারনামা পেশ করার কথা বলেছেন।’
অঙ্গীকারনামার তিনটি শর্তের হলো :
১. শাকসু নির্বাচনের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
২. শাকসু নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে না।
৩. শাকসু নির্বাচনকালীন ও পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে না।
অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরকারীদের নাম, মোবাইল নম্বর, শাকসুতে পদের নামসহ থাকতে হবে জানান ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য।
মন্তব্য করুন
