

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর রামপুরায় জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে কাইল্যা পলাশ (৫০)।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপচার চলছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই এই ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের ভাষ্য, শুক্রবার জুমার নামাজ পশ্চিম রামপুরার মক্কী মসজিদে আদায় করেন কাইল্যা পলাশ। নামাজ শেষে তিনি বাসার উদ্দেশে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলাকারীরা প্রথমে তার কলার চেপে ধরে এবং খুব কাছ থেকে কোমর থেকে পিস্তল বের করে গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করা হয়। হামলায় অন্তত তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একটি গুলি তার মাথায় লাগে।
গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে তার অস্ত্রোপচার চলছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ইয়াসিন খান ওরফে কাইল্যা পলাশের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, হত্যা, অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর কারাভোগের পর গত ৭ মে কারামুক্ত হন।
জানা গেছে, জুমার নামাজ আদায় করে বের হবার সময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর ইসলাম। তিনি জানান, পলাশ কিছুদিন আগেই জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। মুক্তির পর তিনি রামপুরা এলাকাতেই বসবাস করছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা।
