

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বাংলাদেশে চলতি বছরের নির্ধারিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতার এনার্জি। এ পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও শিল্প খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘এসব সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে যুদ্ধ। সম্ভাব্য এই ঘাটতি মেটাতে আমরা বিকল্প উৎসগুলো খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে খোলা বাজার থেকে বেশি পরিমাণে এলএনজি ক্রয় এবং অন্যান্য সরবরাহকারী দেশের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যে বিকল্পটি সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে, আমরা সেটিই বেছে নেব।’
বাংলাদেশের এলএনজি আমদানির সবচেয়ে বড় অংশ আসে কাতার থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পর কাতার বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ। গত বছর বাংলাদেশ প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করে, যার মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনই এসেছে কাতার থেকে।
বর্তমানে পেট্রোবাংলা ও কাতার এনার্জির মধ্যে দুটি দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি কার্যকর রয়েছে। একটি চুক্তির আওতায় বছরে ২৫ লাখ মেট্রিক টন এবং অন্যটির আওতায় আরও ১৮ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি সরবরাহ করা হয়।
সরবরাহ কমানোর বিষয়ে কাতার এনার্জির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানতে রয়টার্স যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
