

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার নাসিমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন জানান, নিহত নাসিমা দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের কলসি পাওয়ার আসায় কবিরাজ সামশুল হকের সাথে রাতের আঁধারে দেখা করতে যেতেন এবং ওই কবিরাজকে কয়েক দফা টাকাও দেন নাসিমা। এমন চলতে থাকলেও নাসিমাকে স্বর্ণের কলসি দিতে ব্যর্থ হয় কবিরাজ।
পরে নাসিমা কবিরাজকে কোলসির জন্য চাপ দিতে থাকলে গত ১ জুন রাতে কলসি দিবে বলে খালি পায়ে হরিপুর উপজেলার ভাতুড়িয়া এলাকায় আসতে বলে কবিরাজ।
পরে কবিরাজ স্বর্ণের কলসি দিতে না পারলে নাসিমা তাকে চাপ দিতে থাকে কোলসির জন্য। নাহলে সে সবাইকে তার ভন্ডামির কথা জানিয়ে দিবে এমন হুমকি দিতে থাকে নাসিমা।
এ সময় কবিরাজ সামশুল তার হাতে থাকা দরি দিয়ে নাসিমার গলায় পেচিয়ে তাকে শ্বাস রোধে হত্যা করে। এ সময় আলামত লুকাতে আগুন ধরিয়ে লাশ পুরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করে কবিরাজ সামশুল। আগুন ধরিয়েই সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ১ জুন সকালে এলাকাবাসী লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে এবং মৃতদেহের খালি পায়ের ক্লু থেকে তদন্ত শুরু করলে পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় এবং ওই কবিরাজ সামশুল হককে গ্রেফতার করে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসা থেকে নাসিমার দেয়া ৩০ হাজার টাকাও উদ্ধার করে পুলিশ।
উল্ল্যেখ্য, গত ১ জুন সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুড়িয়া এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশ থেকে নাসিমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নাসিমা ওই উপজেলার রাউতনগর বাগানবাড়ি এলাকার আবদুল মেম্বারের স্ত্রী।