

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টাঙ্গাইলে এবারের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ৪৬ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২৭ হাজার ৪৭৬ জন। গড় পাসের হার ৫৯ দশমিক ০৬ শতাংশ।
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ৪৯৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২৫০টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৭৩ জন।
যে ছয় প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এগুলো হলো, ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিএম দাখিল মাদ্রাসা, নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও আগদিঘুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা এবং ঘাটাইল উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।
টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরীক্ষাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসিতে ৩৫ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২১ হাজার ৫০৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৯৯৫ জন। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
এসএসসি ভোকেশনালে ৪ হাজার ৬৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২ হাজার ৪২৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮১ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৫১ দশমিক ৮২ শতাংশ।
দাখিল পরীক্ষায় ৬ হাজার ৬৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৩ হাজার ৫২২ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০০ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, দাখিল ভোকেশনালে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ১৮ জন। এই বিভাগে কেউ জিপিএ-৫ পাননি। পাসের হার ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছা. লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, এবারে এসএসসি, দাখিল এবং ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল মোটামুটি ভালই হয়েছে। তবে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ না করাটা দুঃখজনক। ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকদের ছাত্রদের পড়ালেখার প্রতি আরও যত্নশীল হতে হবে। যাতে করে শিক্ষার্থী মনোযোগি হয়ে ভালোভাবে লেখাপড়া করে আগামীতে সুন্দর ফলাফল করতে পারে।

