রবিবার
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অর্থসংকটে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ, প্রধান উপদেষ্টার সহায়তা চাইলেন প্রার্থী

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল।
expand
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল।

নির্বাচন মানেই ব্যয়। সেই ব্যয় মেটাতে চরম আর্থিক সংকটে পড়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসনের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল। তিনি ছড়ি প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার নির্বাচনী এলাকার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার বরাবর আবেদন করেন।

আব্দুল মালেক মণ্ডল জানান, তিনি কালুখালীর সূর্যদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার পদে কর্মরত একজন শিক্ষক। ২০০৮ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় ১৮ বছর ধরে তার শিক্ষক বেতনের একটি অংশ বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে এই বেতন বকেয়া থাকায় তিনি চরম আর্থিক সংকটে ভুগছেন।

তিনি বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি রাজবাড়ী-২ আসন থেকে ছড়ি প্রতীক নিয়ে সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কিন্তু অর্থের অভাবে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন তৈরি করতে পারিনি। ঠিকভাবে প্রচার-প্রচারণাও চালাতে পারছি না।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক বেতনের বকেয়া টাকা ফেরত পাওয়া অথবা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তার আশায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন করেছেন। সহায়তা পেলে সঠিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ভোটারদের কাছেও আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং জনগণের ভোটে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে ইনশাল্লাহ বিশ্বাস করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সাল থেকে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি বেতন বৈষম্যের শিকার হয়ে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা শিক্ষক বেতন পাননি। ফলে তার সংসার অচল হয়ে পড়েছে এবং ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। মানসিক কষ্ট নিয়েই তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। ধার-দেনা করে কোনোমতে জামানতের টাকা জমা দিলেও বর্তমানে অর্থাভাবে সকল ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, আর্থিক অনটনের কারণে তিনি নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হলে তিনি সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে নিজের জয় নিশ্চিত করতে পারবেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X