

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নির্বাচনকে সামনে রেখে একযোগে দেশব্যাপী ‘সারপ্রাইজ’ অভিযানের ছক আঁকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পর যে কোনো দিন, যে কোনো সময় এই অভিযান শুরু হতে পারে। আগামীকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মোতায়েন শুরু হচ্ছে, যা মঙ্গলবার নাগাদ জেলা-উপজেলা পর্যায়েও পৌঁছাবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোনো দিন, তারিখ ও সময় নেই, যে কোনো সময় একযোগে শুরু হবে এ অভিযান। যে কোনো অপরাধী, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, খুনি ও মাদক ব্যবসায়ী এবং অস্ত্রধারীদের গ্রপ্তার করা হবে। এই অভিযানের ফলে কেউ নির্বাচনে কোনো ধরনের সন্ত্রাস কিংবা কোনো বিশৃঙ্খলা করার সাহস পাবে না।
এদিকে শনিবারও (৭ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরে এক অভিযানে ব্যাপক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুরে সদর উপজেলার কানাইপুর আখ সেন্টার সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে বস্তা ও স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টার দিকে অস্ত্রগুলো উদ্ধার হয়। অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও অংশ নেন।
ফরিদপুর সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর সোহেল আহমেদ জানান, সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে পুকুরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলে রাখা হয়েছে এমন খবরে অভিযান চালানো হয়। প্রথমে সেচযন্ত্র দিয়ে পুকুরের পানি সরানো হয়। পানি কমে আসলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুরে মাছ ধরার জাল টেনে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে এগুলোর মিল নেই। নির্বাচন সামনে রেখে নাশকতার উদ্দেশ্যে অস্ত্রগুলো রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টি বিদেশী পিস্তল, ২টি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, ১৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২টি কার্তুজ, একশটি বিভিন্ন আকারের দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ৮টি চাইনিজ কুড়াল, শরকি রয়েছে।
এদিকে আজ শনিবারও (৭ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরে এক অভিযানে ব্যাপক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুরে সদর উপজেলার কানাইপুর আখ সেন্টার সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে বস্তা ও স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টার দিকে অস্ত্রগুলো উদ্ধার হয়। অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও অংশ নেন।
ফরিদপুর সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর সোহেল আহমেদ জানান, সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে পুকুরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলে রাখা হয়েছে এমন খবরে অভিযান চালানো হয়। প্রথমে সেচযন্ত্র দিয়ে পুকুরের পানি সরানো হয়। পানি কমে আসলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুরে মাছ ধরার জাল টেনে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে এগুলোর মিল নেই। নির্বাচন সামনে রেখে নাশকতার উদ্দেশ্যে অস্ত্রগুলো রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টি বিদেশী পিস্তল, ২টি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, ১৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২টি কার্তুজ, একশটি বিভিন্ন আকারের দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ৮টি চাইনিজ কুড়াল, শরকি রয়েছে।
এ ছাড়া নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শন করেন। নির্বাচনে দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ কন্টিনজেন্টের সার্বিক কার্যক্রম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিক-নির্দেশনা দেন। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এবং সরকারের পক্ষ থেকে একটি কঠোর ও সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই প্রস্তুতি ভোটের দিন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, সেদিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।
মন্তব্য করুন

