

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা অতিভারী বৃষ্টির কারণে বৃদ্ধি পাওয়া তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার পানি উন্নয়ন বোর্ড তথ্য অনুযায়ী দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানির সমতল নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১০ মিটারে, যা বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটারের চেয়ে ৫ সেন্টিমিটার নিচে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় একই পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ৫২ দশমিক ২২ মিটার, যা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পানি ১২ সেন্টিমিটার কমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আভাস মিলেছে।
সকালে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল, চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পড়ে। অনেক এলাকায় নৌকাই ছিল মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম। তবে দুপুরে পানি কমতে শুরু করায় নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। যদিও নিচু এলাকার অনেক স্থানে এখনও পানি রয়েছে।
তিস্তা তীরবর্তী মানুষ জানায়, পানি কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও উজানে আবারও ভারী বৃষ্টিপাত হলে তিস্তার পানি দ্রুত বাড়তে পারে। তাই স্থায়ীভাবে বন্যা সমস্যা মোকাবিলায় দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনিল কুমার বলেন, উজানের বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর তিস্তার পানির প্রবাহ নির্ভর করছে। বর্তমানে পানি কমতে শুরু করেছে এবং ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।