

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে কাহিলভাব। কনকনে ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হতে গিয়ে মানুষ ছুটছে উষ্ণতার খোঁজে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে খোলা মাঠ ও ফুটপাতের শীতের পোশাকের বাজারে। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যবিত্ত মানুষেরা সাশ্রয়ী দামে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে।
খুলনা শহরের আহসান আহমদ রোড, খুলনা জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফুটপাত, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোথাও সোয়েটার, কোথাও জ্যাকেট, আবার কোথাও মাফলার ও টুপি সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব দোকানে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ছে।
ফুটপাতের বিক্রেতারা জানান, হঠাৎ ঠান্ডা পড়ায় গত কয়েক দিনের তুলনায় বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে মাফলার, টুপি, শিশুদের সোয়েটার ও হালকা জ্যাকেটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেকেই পরিবারের একাধিক সদস্যের জন্য একসঙ্গে গরম কাপড় কিনছেন।
খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে বিক্রেতা নয়ন জানান, অনেক ঠান্ডা। তাই মানুষ গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছে। আর মৌসুমি ব্যবসায়ীরা যেখানে জায়গা পাচ্ছে সেখানে বিক্রি করছে।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিপণি বিতানের তুলনায় ফুটপাতের দোকানে দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় তারা এখানেই ভরসা করছেন। এক ক্রেতা বলেন, ঠান্ডা হঠাৎ অনেক বেড়ে গেছে। কম দামে প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পাওয়া যাচ্ছে বলেই ফুটপাত থেকেই কিনছি।
নগরীর আহসান আহমেদ সড়কের ফুটপাত থেকে মাফলার কিনছিলেন ওই এলাকার মো: আরাফাত হোসেন। তিনি বলেন, এবছর মাফলার না হলে আর হচ্ছে না। তবে ফুটপাথে দাম কম। তাই কিনছি।
শুধু খুলনা নগরীর মার্কেট বা ফুটপাথ নয় জেলার বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায়ও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব বাজারে গরম পোশাকের বেচাকেনা জমে উঠেছে।
সব মিলিয়ে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উষ্ণতা খোঁজার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আর সেই চাহিদার প্রতিফলন ঘটছে খোলা বাজার ও ফুটপাতের শীতের পোশাকের কেনাকাটায়। যা বর্তমানে হয়ে উঠেছে বেশ প্রাণবন্ত ও জমজমাট।
মন্তব্য করুন
