

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি বন্ধ হয়ে গেছে ’ গণমাধ্যমে দেওয়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের এ বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের বিচারককে শোনালেন প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তার সেই বক্তব্য উপস্থাপন করা হলে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তা শোনেন তিনি। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করা নিয়ে সালমান এফ রহমানের সঙ্গে পলকের কথোপকথনও আদালতে পাঠ করা হয়।
মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা বিটিসিএল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে ইন্টারনেট বন্ধ হয়েছে—এমন তথ্য প্রচার করে দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত এসেছিল তৎকালীন সরকারের নির্দেশে।
প্রসিকিউশন আরও দাবি করে, এই কার্যক্রমের পরিকল্পনায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের ভূমিকা ছিল, যার বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করা হয়েছে।
এ মামলায় প্রসিকিউশনের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৫ জানুয়ারি আসামিপক্ষের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে।
এর আগে গত বুধবার এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি জারি না হওয়ায় শুনানি স্থগিত করা হয়। পরে তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে তা গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। একই দিন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বৃদ্ধির আবেদন আগামী সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে শুনানির জন্য চেম্বার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
মন্তব্য করুন

