

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পটুয়াখালীর বাউফলে একইসঙ্গে নবম শ্রেণির দুই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বাউফল থানায় এসে ওই দুই কিশোরী লিখিত অভিযোগ করেছেন। গতকাল সারারাত ওই দুই কিশোরী বাউফল থানায় পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অতিকুল ইসলাম বলেন, ‘দুই কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় মামলা মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক কিশোরীর মা এবং ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই দুই কিশোরীর মধ্যে একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মো. অনিক (২০) নামে এক তরুণের সঙ্গে। সেই সম্পর্কের কারণে প্রেমিকা কিশোরীকে দেখা করতে বলেন অনিক। প্রেমিকা তার এক সহপাঠীকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় অনিকের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর (অনিক) বাসায় ডেকে আনে।
কৌশলে ওই দুই কিশোরীকে ওই দিন রাতে বাসায় রেখে অনিক প্রথমে প্রেমিকা এবং পরে প্রেমিকার বান্ধবীকে ধর্ষণ করেন। ওই রাতে অনিকের মা মোছা. নূর জাহান বেগম (৫০) বাসায় থাকলেও ছেলের অনৈতিক কার্যকলাপের বিরোধিতা করেননি।
বিষয়টি জানাজানি হলে অনিক পালিয়ে যান। অনিক উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. খলিলুর রহমান খোকনের ছেলে।
পরে আজ রাতে ওই দুই কিশোরী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বাউফল থানায় এসে প্রথমে মৌখিত অভিযোগ করেন।
পরে এক কিশোরীর মা বাদী হয়ে অনিককে প্রধান আসামি এবং ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলা রুজু হওয়ার পর অনিকের মা নূর জাহান বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
