

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে পুলিশকে ব্যবহার করে তাদের পথ আটকে রাখা হচ্ছে, যাতে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়।
আজ বুধবার মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে দুই জেলার মাঝামাঝি এলাকায় পুলিশি ব্যারিকেডে আটকা থাকা অবস্থায় গণমাধ্যমের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘মৌলভীবাজার থেকে রওনা দেওয়ার পর পথে অনেকবার আটকানো হয়েছে। আমরা বলেছি, যেহেতু হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে, তাই সমাবেশ করব না, শুধু হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করব। তারপরও আমাদের আটকে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। হামলাকারীরা যাতে পালিয়ে যেতে পারে, তার জন্য আমাদের পথে আটকে রাখা হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে পুলিশকে ব্যবহার করে।’
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমসহ কয়েকজন নেতা হবিগঞ্জের সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন।
পরে পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেডও নিক্ষেপ করে।
ওই ঘটনার পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচির রোডম্যাপ পরিবর্তন করে বুধবার হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি। এর পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রদল, যুবদল ও পৌর বিএনপি। তারেক রহমানকে নিয়ে 'মিথ্যাচারের' অভিযোগ তুলে তারা বিক্ষোভের ডাক দেয়।
দুই পক্ষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।