বৃহস্পতিবার
১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি যুবদলের সম্পাদক, ক্ষোভে ৬ জনের পদত্যাগ 

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১১:৪১ এএম আপডেট : ০৩ মে ২০২৬, ১১:৪২ এএম
মামলার আসামি গাজী এনামুল হক সুজন ও ওয়ার্ড যুবদলের ঘোষিত কমিটি। ছবি: সংগৃহীত
expand
মামলার আসামি গাজী এনামুল হক সুজন ও ওয়ার্ড যুবদলের ঘোষিত কমিটি। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে নবগঠিত কমিটির ৮ সদস্যের মধ্যে ৬ জনই একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার (২ মে) ঘোষিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ৬ নেতা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়। এরপরই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ২৮ জন আসামির তালিকায় সুজনের নাম রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলনের দায়ের করা এই মামলায় সুজন ২৫ নম্বর আসামি। নেত্রীর ওপর হামলার মামলার আসামির অধীনে রাজনীতি করা সম্ভব নয়—এমন দাবি তুলে শনিবার ঘোষিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ৬ নেতা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

অভিযুক্ত এনামুল হক সুজনের দাবি, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।

ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, সুজন যুবদলের একজন পরীক্ষিত কর্মী। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদলের শীর্ষ নেতারা অবগত আছেন।

ফেনী পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী বলেন, আমরা তার মামলার বিষয়টি অবগত ছিলাম না। এ নিয়ে কমিটির বাকিরা পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা এখনো কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করিনি। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তৎকালীন পুলিশ সুপারসহ ১৭৮ জনকে আসামি করে দায়ের করা এই মামলাটি ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেনী সদর আমলি আদালত আমলে নেয়। বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করছে। তদন্তাধীন মামলার একজন আসামিকে গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদ দেওয়ায় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
France VS England
Scheduled
19 Jul, 03:00 AM
VS
World Cup