

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুটি দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
সোমবার (২৯ জুন) অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক ও এমপিও যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শোকজপ্রাপ্ত দুই সুপার হলেন পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. মুহাম্মদ জাফর উদ্দিন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ওমর ফারুক।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী নতুন এমপিও আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জাল ফলাফলপত্র প্রস্তুত এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি উভয় প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।
তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসায় মো. মিরাজ হোসেন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় আফফান-এর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দুই সুপারের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।