

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল প্রায় ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ৩১টি স্বর্ণের বার। তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেই চালান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় দুই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) ভোররাতে যশোর-নড়াইল মহাসড়কে যশোর বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরের ১ নম্বর গেটের সামনে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ৩ কেজি ৬৪১ গ্রাম ওজনের ৩১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার খাসিয়াল গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে খন্দকার মাহাবুবুল হক (৪৫) এবং যশোর কোতোয়ালি থানার বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে মো. আনিস (৩৬)।
বিজিবি সূত্র জানায়, স্বর্ণ পাচারের একটি চালান যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) একটি বিশেষ আভিযানিক দল মহাসড়কে নজরদারি জোরদার করে। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে গাড়ির ভেতরে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ৩১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ঢাকার ধোলাইপাড় এলাকার একটি চোরাকারবারী চক্রের কাছ থেকে তারা স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। পরে সড়কপথে যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে এগুলো নিয়ে আসা হচ্ছিল।
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান (পিএসসি) বলেন, সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের এই চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দ করা স্বর্ণ যশোর কোতোয়ালি থানার মাধ্যমে সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।