

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের ১নং আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ নির্দেশ দেন।
সন্ধ্যায় কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলম কুয়েতে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি। এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত কুমিল্লা সেনানিবাসের স্ট্যাটিক সিগন্যালের সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হোগড়া গ্রামের মো. হাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে তনু হত্যা মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। ঘটনার সময় প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের ঘটনাস্থলে উপস্থিতি এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ কারণে বিচারক মুমিনুল হক তার আদেশে দেশের বাইরে পলাতক জাহিদুজ্জামান ও শাহিন আলমকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে নির্দেশ দেন।
এর আগে ২২ এপ্রিল বিচারক মুমিনুল হকের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম হাফিজুর রহমানকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পরে তাকে পিবিআইয়ের রাজধানীর কল্যাণপুরে অবস্থিত বিশেষ ইউনিটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই রয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার মামলাটির তারিখ ধার্য ছিল। এ কারণে হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে পুনরায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এটি মামলার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। পাশাপাশি সন্দেহভাজন অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
