

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কম সময় ও কম খরচে বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গ্রাম আদালতের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক প্রচার-প্রচারণা জরুরি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম জোরদারে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছালে বিচার প্রক্রিয়া সহজ হবে, মামলা জট কমবে এবং জনগণ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রামীণ এলাকায় অধিকাংশ বিরোধ ছোটখাটো হলেও সচেতনতার অভাবে অনেকে থানা বা জেলা আদালতের শরণাপন্ন হন, ফলে সময় ও অর্থের অপচয় হয়। এ ক্ষেত্রে গ্রাম আদালত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
গ্রাম আদালত প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক মো. লুৎফর রহমান সভাটি পরিচালনা করেন। সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও জনগণের কাছে সহজলভ্য করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সেবা গ্রহণ সহজ করা এবং স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহীর অতিরিক্ত উপপরিচালক মিতা সরকার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনিরা খাতুন, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরিন, জেলা আনসার ভিডিপির সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মোতালেব এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম আনোয়ার হোসেন। সভায় এনজিও ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের সমন্বয় সভা স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন