

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি বলেছেন, বাংলার ঐতিহ্য ইতিহাসের সাক্ষী ২০০ বছরের পুরোনো মসলিন কাপড় পুনঃউদ্ধারে কাজ করছে সরকার। আমরা জামদানি ভিলেজের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পরিদর্শনে এসেছি। আমরা জামদানি শিল্পের ঐতিহ্যকে অন্বেষণ করতে সেই সুদূর ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছি। আমরা সেখান থেকে এই শিল্পের ঐতিহ্য নিয়ে এসেছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খুঁজে বের করে যারা এক্সপার্ট আছেন, তাদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটির ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে গবেষণা কার্যক্রম থেকে শুরু করে সকল ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়ায় জামদানি ভিলেজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় পাট শিল্প নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি আরও বলেন, এ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেই রয়েছে যে বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে। অনেকগুলো পাটকল চালু হয়েছে, আবার অনেকগুলো চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এতে দেশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। দেশি-বিদেশি যারা ব্যবসায়ী রয়েছেন, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পাট শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকল ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছি।
এ সময় দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্পের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন জামদানি ভিলেজ প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং স্থানীয় তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন। আব-ই-রওয়ান প্রদর্শনী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। প্রতিমন্ত্রী মসলিন কাপড় তৈরির বিভিন্ন ধাপ—চরকা দিয়ে কার্পাস তুলা থেকে সুতা তৈরি এবং সেই সুতা দিয়ে কাপড় তৈরির কাজ—পরিদর্শন করেন। এ সময় গ্যালারিতে রাখা মসলিন সুতায় তৈরি কাপড়ের প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, তাঁত বোর্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, তাঁত বোর্ডের সদস্য দেবাশীষ নাগ, যুগ্মসচিব মো. জাহিদ হাসান, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক মো. কুতুব উদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন