

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে একাধিক মানুষ স্বদেশের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্ব অর্জনের সুযোগ খোঁজেন। অনেকেই বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে অথবা বিদেশে পড়াশোনা ও কাজের মাধ্যমে অন্য দেশের নাগরিকত্বের সুযোগ পান। নিচে এমন কিছু দেশ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হলো, যেখানে বৈধ বিয়ে করলে নাগরিকত্ব নেওয়া সম্ভব।
১. তুরস্ক
তুরস্কে বিয়ের পর তিন বছর একসঙ্গে বসবাস করলেই নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। তুর্কি নাগরিক হওয়ায় আপনি পাবেন এক বিশেষ সুবিধা—তুর্কি পাসপোর্টে বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশে ভিসা ফ্রি বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা।
২. স্পেন
দক্ষিণ ইউরোপের অন্যতম বড় দেশ স্পেনে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য একজন স্প্যানিশ নাগরিককে বিয়ে করে এক বছর একসঙ্গে বসবাস করতে হবে। নাগরিকত্ব পেলে লাতিন আমেরিকা, ফিলিপাইন, পর্তুগালসহ অন্যান্য দেশে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুবিধা পাওয়া যায়। তবে আবেদন করার জন্য প্রয়োজন বিয়ের বৈধ সনদ ও একসঙ্গে বসবাসের প্রমাণ।
৩. আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনার নাগরিককে বিয়ে করলে মাত্র দুই বছরের একসঙ্গে বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। এছাড়া দরকার বিয়ের বৈধ সনদ, অপরাধমুক্ত রেকর্ড এবং সাধারণ স্প্যানিশ ভাষার জ্ঞান।
৪. মেক্সিকো
মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী একজন মেক্সিকান নাগরিককে বিয়ে করলে দুই বছর একসঙ্গে বসবাসের পর নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। প্রক্রিয়ার জন্য লাগবে বিয়ের বৈধ সনদ, একসঙ্গে বসবাসের প্রমাণ এবং স্প্যানিশ ভাষার মৌলিক দক্ষতা।
৫. সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড সাধারণভাবে কঠোর অভিবাসন নীতির দেশ হলেও বৈধ বিবাহের মাধ্যমে নাগরিকত্বের সুযোগ রয়েছে। সুইস নাগরিকের সঙ্গে তিন বছর একসঙ্গে থাকলে পাঁচ বছরের বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। দেশের বাইরে থাকলেও ছয় বছরের বিবাহিতকাল পূর্ণ হলে আবেদন সম্ভব। নাগরিকত্ব পেলে ইউরোপে বসবাসের সুযোগও পাওয়া যায়। আবেদন করার সময় সুইজারল্যান্ডের ভাষা, সংস্কৃতি জানা এবং অপরাধমুক্ত রেকর্ডের প্রয়োজন হয়।
৬. কেপ ভার্ড
পশ্চিম আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্ডের নাগরিককে বৈধভাবে বিয়ে করলে অবিলম্বে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার জন্য অবশ্যই বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ক প্রমাণ করতে হবে।
এই দেশগুলোতে বৈধ বিবাহের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব হলেও প্রক্রিয়ার শর্তাবলী দেশের আইন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন নীতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।
সূত্র: গ্লোবাল সিটিজেন সলিউশনস
মন্তব্য করুন
